• শিরোনাম

    গঙ্গা অববাহিকায় জলের স্তর ফুলে ভয়াবহ রুপ ধারন করছে

    দি গাংচিল ডেস্ক | ২১ আগস্ট ২০২০


    গঙ্গা অববাহিকায় জলের স্তর ফুলে ভয়াবহ রুপ ধারন করছে

    গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গা অববাহিকায় নদীর জলের স্তর ধারাবাহিকভাবে ফুলে যাচ্ছে কারণ ভারী বর্ষণের কারণে উজানের পাহাড়ী জলাবদ্ধতা অঞ্চল থেকে বন্যার জলের উপর চাপ পড়ছে।

    বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় অফিস জানান শুক্রবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানখায়, গাজী, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং তালবাড়িয়া ও পদ্মা এবং এর স্রোতধারার বেশিরভাগ নদী ও উপনদীগুলিতে শুকনো প্রবণতা রেকর্ড করা হয়েছে। ।


    চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানখায় গঙ্গা নদীর পানির স্তর পাঁচ সেন্টিমিটার (সেমি) বৃদ্ধি পেয়েছে, রাজশাহীতে দুই সেন্টিমিটার এবং হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও তালবাড়িয়া পয়েন্টে চার সেন্টিমিটার গত ২৪ ঘণ্টায় আজ সকাল ৯ টায় শেষ হয়েছে, বাংলাদেশ পানি  বিকাশের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জানিয়েছেন।

    তবে গঙ্গা নদী পানখা, রাজশাহী, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং তালবাড়িয়া পয়েন্টে যথাক্রমে ১৬৯ সেমি, ১৮৫ সেমি, ১০৬ সেমি এবং ৭৮ সেমি প্রবাহিত ছিল, এবং পদ্মা নদীর জলের স্তরটি  গোয়ালন্দ তে   তিন সেন্টিমিটার উপরে উঠে গেছে ইঞ্জিনিয়ার মুখলেছুর রহমান আরও জানান, আজ সকালে এই নদীটি বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।


    গঙ্গা অববাহিকায় আজ মোট ৩০ টি নদী পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, পানির স্তর ১৯ পয়েন্টে উঠে গেছে,

    অন্যদিকে, স্থানীয় বিডব্লিউডিবি অফিসে আজ যমুনা নদীর তিনটি পয়েন্টে  পানি পতনের প্রবণতা রেকর্ড করা হয়েছে। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জলের স্তর তিন সেন্টিমিটার, সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে চার সেমি এবং সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে এক সেমি কমেছে।


    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কতা কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, কাজীপুরে এবং সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদী এখনও বিপদসীমার চেয়ে যথাক্রমে নয় সেমি এবং আট সেন্টিমিটার প্রবাহিত ছিল।
    নাটোরের সিংড়ায় গুড় নদীটি বিপদসীমার ১৪ সেমি নীচে প্রবাহিত হচ্ছিল সাত সেন্টিমিটার ভাটা পড়ার সাথে সাথে আত্রাই নদী সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে বিপদসীমা থেকে ১২ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত ছিল গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে চার সেমি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    রাজশাহী বিভাগের অধীনে বেশ কয়েকটি জেলায় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উভয়ই ১৬ টি নদীর পয়েন্টের মধ্যে পানির স্তর পাঁচ পয়েন্টে বেড়েছে, আজ সকালে ১১ পয়েন্টে হ্রাস পেয়েছে।

    যাইহোক, নদীগুলি ১৪ পয়েন্টে বিপদসীমার নীচে প্রবাহিত ছিল, যখন সময়কালে এক পর্যায়ে বিপদ চিহ্নের উপরে ছিল।

    এদিকে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মইনুল ইসলাম জানান, বন্যার পরিস্থিতি শুরুর পর থেকে স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সাথে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বন্যার পরিস্থিতি শুরু করে অব্যাহতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে আসছে।

    রাজশাহী বিভাগের অধীনে বিভিন্ন জেলায় বন্যার কারণে তাদের জীবিকা নির্বাহের সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রায় নয় লাখ লোক সমন্বিত প্রায় ২.১৬ লক্ষ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    সরকার বিপর্যয়কর পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাত্ক্ষণিক মানবিক সহায়তার অংশ হিসাবে ১৫০৭ টন চাল, নগদ ৪১.০৮ লক্ষ টাকা, শুকনো খাবারের  প্যাকেট, শিশুর খাবারের জন্য ২১ লক্ষ টাকা এবং পশুর খাবারের জন্য ৩০ লাখ টাকা বিতরণ করেছে বিভাগে মেরুনড মানুষদের মধ্যে।

    একইসাথে  বন্যার পানির মন্দার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে জলবাহিত রোগের যে কোনও প্রাদুর্ভাব রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ নিয়েছে।

    সূত্রটি আরও জানায়, প্রায় ৩৪২৬ জন রোগী পানিসংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন এবং ১৭ জন মূলত ডুবে  এবং সাপের কামড়ে য় ১ জন জন মারা গেছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বিদায় ফুটবল ঈশ্বর!

    ২৫ নভেম্বর ২০২০

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১