• শিরোনাম

    বালুচরে আটকে পড়ে ৯০ তিমির মৃত্যু

    দি গাংচিল ডেস্ক | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০


    বালুচরে আটকে পড়ে ৯০ তিমির মৃত্যু

    অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া দ্বীপের বালুচরে আটকে যায় প্রায় ৩শ’ তিমি। এর মধ্যে ইতিমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ মারা গেছে। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।

    স্থানীয় অধিবাসীরা সোমবার দ্বীপটির পশ্চিম উপকূলে তিমি আটকে পড়ার ঘটনাটি প্রথম দেখেছিলো। তথ্য সূত্র বিবিসি।


    সমুদ্র বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ কর্মীরা বিশালসংখ্যক পাইলট তিমির দলটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। অবশ্য সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন কৌশলপূর্ণ এই কাজটিতে বেশ কয়েক দিন লেগে যেতে পারে।

    বিশ্বের বৃহত্তম স্তন্যপায়ী প্রজাতির এই তিমি আটকে পড়েছে ম্যাককুরি হেডস নামক এক প্রত্যন্ত এলাকায়। এই অঞ্চলে নৌযান ও সড়ক যোগাযোগ একদম নেই বললেই চলে। উদ্ধারকর্মীরা সোমবার বিকেলে ঐ স্থানে পৌছান। প্রায় শতাধিক তিমির আটকে পড়ার দৃশ্যটি তারা আকাশ থেকে দেখেন।


    তারা জানালেন, ঐ অঞ্চলে উদ্ধার কাজকর্ম খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। অনেক তিমি এমন সব জায়গা গুলোতে আটকে পড়েছে যেখানে যাওয়া বেশ অসম্ভব। এদের মাঝে বেশ কিছু তিমি আকারে অনেক বড়, এই বিষয়টাও চ্যালেঞ্জের।

    এখনও পর্যন্ত এভাবে তিমির বালুচরে আটকে পড়ার যথার্থ কারণ জানা যায় নি। সামুদ্রিক ডলফিন প্রজাতির এই পাইলট তিমির ওজন হয় প্রায় ৩ টন এবং এরা লম্বায় ৭ মিটার বা ২৩ ফুট হয়ে থাকে।


    নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে পাইলট তিমি বেশি চলাচল করে। গবেষকগণ জানিয়েছেন, তিমি গুলোর মাঝে শক্তিশালী সামাজিক বন্ধন বিদ্যমান। তারা সব সময় তাদের নেতাকে অনুসরণ করে। আর এই কারণে এতো বিশাল সংখ্যক তিমি একসঙ্গে ঐ অঞ্চলটিতে আটকা পড়েছে।

    তিমির আটকে পড়ার এ ধরনের ঘটনাটি নতুন নয়। তবে ২০০৯ সালের পর এত সংখ্যক তিমির একই স্থানে আটকে পড়া ও মৃত্যু বিরল। গত দুই বছরে নিউজিল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে দুই শতাধিক তিমি মারা যায় এ ধরনের একাধিক ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১