• শিরোনাম

    ভরি প্রতি স্বর্ণের দামে মিলবে ৮ কেজি ৬২৫ গ্রাম গাধার দুধ 

    সাবিকুন্নাহার কাঁকন | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০


    ভরি প্রতি স্বর্ণের দামে মিলবে ৮ কেজি ৬২৫ গ্রাম গাধার দুধ 

    আমরা মানুষেরা হঠাৎ করে কোনো কাণ্ডজ্ঞানহীন বা বেমানান কাজ করে বসলেই তাকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্য অর্থে গাধা বলে ফেলি।অথর্ব, অযোগ্য, অকর্মন্য ইত্যাদি নীতিবাচক শব্দের অনেকটা সমার্থক হিসেবে যেকোন ভাষার প্রায় প্রাচীন পর্যায় থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।মূলত গাধা একটি চতুষ্পদী লেজযুক্ত প্রাণীর নাম।তা আসলে কারোরই অজানা নয়। তবে কাজে গাধাকে অবজ্ঞাসূচক হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও গাধার দুধ যে খাওয়ার প্রচলন আছে এ বিষয়টি আমরা অনেকেই জানিনা।

    কিন্তু ‘গাধা’ শব্দটা যতটা সস্তা এবং কর্মহীনতার প্রতীক, এর দুধ কিন্তু ঠিক তার বিপরীত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। গাধার দুধ কিনতে গেলে লিটার প্রতি আপনার পকেট থেকে বেড়িয়ে পরবে হাজার টাকার ৮ খানা নোট।আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এক লিটার গাধার দুধ বিক্রি হয় প্রায় ৭ হাজার রুপিতে। বাংলাদেশের টাকায় যার মূল্য দাঁড়ায় ৮ হাজার টাকারও বেশি।নবজাতক এবং শিশুদের জন্য নাকি এ প্রাণীর দুধ বেশ কার্যকরী। আর ঠিক একারনেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এখন ভীষন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গাধার দুধ।ভারতের গুজরাটসহ আরোও অনেকগুলো রাজ্যে এখন গড়ে উঠছে গাধার খামার।গাধার দুধ বিক্রি হচ্ছে লিটার প্রতি প্রায় ৭ হাজার রুপিতে।শুধু তাই নয়! ভারতের দক্ষিনাঞ্চলে ঔষধ হিসেবে গাধার দুধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।ঔষধ এবং প্রসাধনী তৈরির কাঁচামাল হিসেবে গাধার দুধের আলাদা বাজার তৈরি হচ্ছে। এমনকি প্রতিনিয়ত আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু দেশেও গাধার দুধের চাহিদা বাড়ছে।মিশরের ইতিহাসে বর্ণিত আছে, সৌন্দর্যের প্রতীক রাণী ক্লিওপেট্রা তার রূপ-লাবণ্য ধরে রাখতে গাধার দুধ দিয়ে নিয়মিত গোসল করতেন।


     

    Facebook Comments


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১