• শিরোনাম

    সংক্রমণের হারে সব দেশকে ছাড়িয়ে গেল ভারত

    দি গাংচিল ডেস্ক | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০


    সংক্রমণের হারে সব দেশকে ছাড়িয়ে গেল ভারত

    প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস এ সংক্রমণের হারে এবার সব দেশকে ছাড়িয়ে গেল প্রতিবেশী দেশ ভারত। বিশেষ করে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের সংক্রমণ এর ঊর্ধ্বমুখীতা উদ্বেগ বাড়িয়েছে দেশটির কর্তাদের মাঝে। যেখানে গত একদিনে আরও সহস্রাধিক মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৯০ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যদিও, আক্রান্তদের মধ্যে  সুস্থতার হার  দুই-তৃতীয়াংশ ।

    ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের  সূত্রে   জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০ হাজার ৬৩২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ লাখ ১৩ হাজার ৮১১ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই পাঁচ রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং  দিল্লি)।


    মাত্র  একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ১ হাজার ৬৫ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার ৬২৬ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩১ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ১০ লাখের  ও অধিক।

    দক্ষিণ এশিয়ার  এই দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক ও  তেলেঙ্গানা। এদিকে বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত এবং প্রাণহানির দেশ হলো ভারত।


    এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৮৩ হাজারের ও বেশি। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ২৭৬ জনের।

    দ্বিতীয় স্থানে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে করোনার শিকার ৪ লাখ সাড়ে ৮৭ হাজারের বেশি মানুষ। তবে প্রাণহানি কিছুটা কম । যার সংখ্যা ৪ হাজার ৩৪৭ জন।


    রেকর্ড এ তিন এ  থাকা তামিলনাড়ুতে মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ৭৪৮ জনে ঠেকেছে। আর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ প্রায় ৫৮ হাজার।

    চার নম্থাবরে থাকা কর্ণাটকে করোনার ভুক্তভোগী ৩ লাখ ৮৯ হাজারের বেশি মানুষ। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৬ হাজার ২৯৮ জনের।

    আর রাজধানী দিল্লিতে করোনা হানা দিয়েছে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি । তার  মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ হাজার ৫৩৮ জন। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে

    সংক্রমণ এর উর্ধগতি ঠেকাতে  ভারত প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে লোকের ভিড় বেড়েছে এবং বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই  প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

    আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৭৩ হাজার ৬৪২ জন রোগী এবং   বেঁচে ফেরার সংখ্যা ৩১ লাখ ৮১ হাজারের কাছাকাছি। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা প্রায়  ৮ লাখ ৬২ হাজার ৩২০ জন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১