• শিরোনাম

    করোণাকালে ক্যান্সার রোগী ও সারভাইভরদের খাবার : ফরিদা ইয়াসমিন কণা

    | ২০ জুন ২০২০


    করোণাকালে ক্যান্সার রোগী ও সারভাইভরদের খাবার : ফরিদা ইয়াসমিন কণা

    করোণাকালে ক্যান্সার রোগী ও সারভাইভরদের খাবারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ভিটামিন ‘‘ডি” সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। তামাক ও জর্দাসহ পান কোনভাবেই গ্রহন করা যাবে না। ধুমপান থেকে বিরত থাকুন। ভিটামিন ‘‘সি” বা “লেবু” প্রতিদিন খাবারের সাথে খেতে হবে। ফলমূল বিশেষ করে দেশি ফল যেমনঃ পেয়ারা, কলা, পেপে, আমড়া, জামবুড়া, জাম, লটকন, আমলকি ভরা পেটে খেতে হবে। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় শাক -সব্জি রাখুন। শাক যেমনঃ লাল ও সবুজ শাক, পুঁই শাক, কলমী শাক, পাট শাক, কচু শাক ও লাউ শাক শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

    সব্জির মধ্যে কাঁচা কলা, সজিনা, টমেটো, পোটল, ঝিঙ্গা, লাউ, জালি, বেগুন, শসা, ঢেঢ়শ, শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপি, করলা, ব্রোকলি, মূলা, ব্লুবেরি, মাশরুম, লাল আঙ্গুর, ক্যাপসিকাম, লাল বাঁধাকপি, হলুদ, শালগম, ওটস, বুটের ডাল, আপেল, জুকিনী, মিস্টি আলু, গাজর, রসুন, পিঁয়াজ খুবই প্রয়োজনীয়। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈনিক আমিষ জাতীয় খাবারের দরকার ৩৩-৩৬ গ্রাম। বিশেষ করে আমিষ হিসেবে ছোট মাছ খাওয়া খুবই উপকারী। মলা, ঢেলা ও কাচকী মাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন “এ” থাকে। যেহেতু ছোট মাছে ক্যাসিয়াম ও ফসফরাস থাকে তা আমিষ জাতীয় পুষ্টির অভাব থাকলে পূরণ করে থাকে। আমিষের অভার দূর করতে রুই, কাতলা, মৃগেল, শিং, মাগুর, ট্যাংরা, ইলিশের পাশাপাশি দেশি মুরগীর মাংস খেতে পারেন। শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্য আমিষের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মাছের মধ্যে যে তেল রয়েছে তা খুবই উপকার করে। ক্যান্সার রোগীর ক্যামোথেরাপি দেয়ার সময় রক্তে হিমেগ্লোবিনের মাত্রা অনেকটা কমে যায়।


    সেক্ষেত্রে আনার, দুধ, ডিম প্রচুর পরিমাণে থেকে পারেন। দুধ, ডিম সরাসরি খেতে না পারলে পুডিং, পায়েস, সেমাই, দই (দৈ), মিস্টি জাতীয় দ্রব্য, ছানা বানিয়ে খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস রোগিদের খাবারের পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু মসলাযুক্ত খাবার শরীরে এসিডিটি বা গ্যাস তৈরি করতে পারে সেহেতু হালকা বা কম মসলাযুক্ত খাবার খাওয়াই উত্তম। তবে রান্না হতে হবে পুর্ণ সিদ্ধ।

    অর্ধসিদ্ধ খাবার শরীরে ক্ষতি সাধন করতে পারে। মুরগীর স্যুপ এবং ফলের জুস প্রতিদিনই খেতে পারেন। প্রয়োজনীয় খাবার না খেলে ক্যান্সার রোগী ও সারভাইভর অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। সকালে নাস্তার পর ও বিকেল নাস্তার পর চিনি ছাড়া ‘র’ চা খেতে পারে। কারণ চিনি ক্যান্সারের খাবার। কথিত আছে চিনি হলো White Poison । সরাসরি ক্যান্সারের জন্য দায়ী ৯ টি খাবার – বারবিকিউ, আচার, রেড মিট, অ্যালকোহল, পপকর্ণ, টমেটোর সস, গরম পাণীয়, হিমায়িত মাংস ও দুগ্ধজাত চর্বি। ক্যামোথেরাপি দেয়ার সময় ক্যান্সার রোগীদের শরীরে পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। তাই কচি ডাব ও ওরস্যালাইন পার করতে পারে। ডালকে গরীবের আমিষ বলা হয়। যদিও এখন ডালের দাম অনেক। দিনে একবেলা এক কাপ মুগ ডাল খেতে পারেন। তবে যাদের কিডনীর সমস্যা আছে তাদের ডাল খাওয়া যাবে না।


    সুস্থ থাকতে হলে পরে ক্যান্সার প্রতিরোধে ডিম খাওয়ার বিকল্প নেই। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, প্রতিদিনের ডায়েটে ডিম রাখলে শরীরে কিছু উপাকারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে। এর প্রভাবে ব্রেন সেল শক্তিশালী হয়ে উঠতে আরম্ভ করে। ফলশ্রুতিতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি এবং বুদ্ধির মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে ডিমের ভেতরে থাকা কোলিন এবং ডোকোসেহেক্সেনিক অ্যাসিড নামক দুটি উপাদানের মাত্রা শরীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে, সেভাবে ব্রেন পাওয়ারে উন্নতি ঘটে। গবেষকরা ৬ বছরের পর থেকে বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ সে সময়ে বাচ্চাদের শারীরিক বিকাশ সব থেকে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পায়। ডিমে কোলিন ছাড়াও ভিটামিন এ, বি ১২, সেলেনিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান মজুত থাকে, যা ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি শরীরের আরও নানা উপাকারে লাগে। যেমন : প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে; হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়; ওজন কমায়; ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে; খনিজের ঘাটতি পূরণ করে; ব্রেস্ট ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করে।

    প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার রোগী ও সারভাইভরদের জন্য ব্রোকলি, মূলা, ব্লুবেরি, মাশরুম, লাল আঙ্গুর, ক্যাপসিকাম, লাল বাধাকপি, হলুদ, শালগম, ওটস, বুটের ডাল, আপেল, পুঁই শাক, জুকিনী, মিস্টি আলু, গাজর, পেঁপে, রসুন, পিঁয়াজ ইত্যাদি। Pancreas অগ্নাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়, কারণ এত অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা উভয় প্রকার গ্রন্থি অবস্থিত। অগ্নাশয়ের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো তিন প্রকার কোষ দিয়ে গঠিত – আলফা কোষ, বিটা কোষ ও ডেলটা কোষ। আলফা কোষ – গ্লুকাগন; বিটা কোষ – ইন্সুলিন; ডেলটা কোষ – সোমাটো স্টেটিন।


    শিম কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। অন্ত্রের ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে মানুষের দেহ থেকে দূর করে শিম।

    টমেটোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, এ, কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও সি১। এ ছাড়া লোহা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম, ক্লোরিন, দস্তা ও ফসফরাসের মতো উপাদানও এতে রয়েছে। এ গুলো দেহকে সুস্থ রাখে। কাঁচা ও পাকা টমেটো সবাজ হিসেবে রান্না করা হয়। অন্যদিকে পাকা টমেটো সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়। টমেটো ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে। এর লাইকোপেন উপাদান ক্যান্সারের কোষকে বৃদ্ধি হতে দেয় না। বিশেষ করে পাকস্থলী, প্রোস্টেট ক্যান্সারে টমেটো খুব কাজে দেয়। যা পেটের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রুখতেও ভূমিকা রাখে টমেটো। তবে কাঁচা টমেটোর থেকে রান্না করা টমেটো খাওয়া বেশি উপকারী। টমেটো প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমে।

    ক্যান্সার প্রতিরোধ করে বাঁধাকপি। বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার প্রতিরোধ করে। বাধাকপিতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীর থেকে ফ্রি রেডিকেল দূর করে শরীরকে ক্যান্সার মুক্ত রাখতে সহযোগিতা করে। এই সবজিতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটকেমিকেলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিনই বাঁধাকপিতে আছে। এ ছাড়াও রয়েছে রিবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি ও কে।

    ব্রোকলি ক্যানসার এবং হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধী। ব্রোকলিতে (এক ধরনের ফুলকপি) রয়েছে ক্যানসার এবং হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধী উপাদান। ব্রোকলি ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি। এই গ্রুপের সব সবজি পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ব্রোকলিতে দ্রবণীয় আঁশ রয়েছে, যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ব্রোকলিতে ফটোকেমিক্যালস গ্লুকোরাফ্যানিন, গ্লুকোনাসটারটিন এবং গ্লুকোব্র্যাসিসিন উপাদান রয়েছে। এ উপাদানগুলো শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। ব্রোকলি হৃদপিণ্ডের রক্তনালীকে শক্তিশালীকে করে। ব্রোকলিতে রয়েছে সালফোরাফানে উপাদান, যা প্রদাহ প্রতিরোধী হিসেবে কাজ করে। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি ও ফ্ল্যাভোনয়েডস রয়েছে। এ ছাড়া, ক্যারটিনয়েড লুটিয়েন, জিয়াজানথিন, বেটা ক্যারোটিন এবং অন্যান্য শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

    ক্যান্সার প্রতিষেধক ফুলকপি। রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ কার্যকরী এই সবজি। ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। এতে ভিটামিন এ, বি ছাড়াও আয়রণ, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার রয়েছে। এ ছাড়াও প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে ফুলকপির ডাঁটা ও সবুজ পাতায়। ফুলকপিতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম। সবজিটি ক্যান্সার প্রতিষেধক হিসেবে খেতে পারেন। ফুলকপি ক্যান্সার সেল বা কোষকে ধ্বংস করে। এছাড়া মূত্রথলি ও প্রোস্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধে ফুলকপির ভূমিকা অপরিসীম। উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস রোগীরা ফুলকপি খেতে পারেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও কোলেস্টেরল কমাতেও ফুলকপি কাজ করে। ফুলকপিতে থাকা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

    ক্যান্সার প্রতিরোধে করলা। ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে করলার গুণাগুণ সম্পর্কে সবারই জানা। দ্যা নেভাডা সেন্টার অব অল্টারনেটিভ অ্যান্ড অ্যান্টি এইজিং মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ড. ফ্রাঙ্ক শ্যালেন বার্গার ও তার সহযোগীরা গবেষণায় পেয়েছেন, ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে করলা। তিনি তার নতুন গবেষণায় দেখতে পান, করলার রস পানিতে মাত্র ৫ শতাংশ মিশ্রিত হয়, যা প্রমাণ করে এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। করলায় প্রায় ৯০-৯৮ শতাংশ পর্যন্ত ক্যান্সারের কোষ ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। দ্য ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোর একটি গবেষণায় দেখা যায়, করলা অগ্ন্যাশয়ের টিউমার প্রায় ৬৪ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম। এ ছাড়াও ড. শ্যালেন বার্গার তার গবেষণায় পেয়েছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অ্যাজমা, ত্বকের ইনফেকশন, ডায়াবেটিস এবং পাকস্থলীর নানা সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে শুধু এই একটি সবজি ‘করলা’। খুব কম ক্যালরিসমৃদ্ধ করলায় রয়েছে পটাশিয়াম, বেটাক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, হাই ডায়াটেরি ফাইবার, ভিটামিন বি১, বি২, বি৩ ও সি, ফোলায়েট, জিঙ্ক এবং ফসফরাস।

    পেয়ারা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। পেয়ারায় থাকা ভিটামিন এবং পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রতিহত করে। পেয়ারায় থাকা লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল শরীরের ভিতরে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের দূর করে দেয়।ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেহেতু পেয়ারা গ্লাইকেমিক ইনডেক্সে একেবারে নিচের দিকে আছে, তাই পেয়েরা খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।

    পেঁপে ক্যান্সার প্রতিরোধক। শরীরের জন্য কাঁচা পেঁপে খুবই উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। উল্লেখিত উপাদানটি প্রোটিন হজম করতে সহযোগিতা করে। ক্যান্সার নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কাজেই পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই অধিক ভালো। এ ছাড়াও পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। পেঁপেকে ভিটামিনের স্টোর বলা হয়। কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ‘ই’। তাই এ উপাদানগুলো কিডনির সমস্যা দূর

    লিখেছেন,

    ফরিদা ইয়াসমিন কণা
    মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১