• শিরোনাম

    পরাজয় এড়াতে পারলেন না স্যাম বিলিংস :

    ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দিনেও

    সুজিত মন্ডল | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০


    ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দিনেও

    নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দিনেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলকে জেতাতে পারলেন না ইংল্যান্ডের স্যাম বিলিংস।

    ম্যাচের শেষ বল অবধি উইকেটে টিকে থাকলেও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। তাই অবশেষে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তার দলকে।

    গতকাল রাতে এমিরেটস ওল্ড ট্রাফোর্ড স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১৯ রানে পরাজিত হয়েছে ইংল্যান্ড। আর এই পরাজয়ের মাধ্যমে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার থেকে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেলো তারা।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনুশীলনের সময় একজন কোচিং স্টাফের ছোড়া বল লেগে মাথায় চোট পান স্টিভ স্মিথ। যার ফলে প্রথম ওয়ানডেতে দলের বাইরে রাখা হয় তাকে। স্মিথের পরিবর্তে দলে জায়গা পান মিচেল মার্শ।


    টস নামক ভাগ্য পরীক্ষায় জয়ী হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ইন মরগান।

    ব্যাটিং এ নেমে শুরুটা তেমন ভালো করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া দলের ক্রিকেটাররা। দলীয় ১২৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারায় তারা। প্রথম দিকের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মার্কাস স্টয়নিসের ব্যক্তিগত ৪৩ রান ব্যতীত আর কেউ উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি।


    তবে মিচেল মার্শ এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এর ছয় নম্বর জুটি ১২৬ রান করার কারণে অস্ট্রেলিয়া ২৯৪ রানের একটি সম্মানজনক স্কোর করতে সমর্থ হয়।

    স্টিভ স্মিথের বদলি হিসেবে নামা মিচেল মার্শ ১০০ বলে ৭৩ রান করেন। দলের হয়ে সব থেকে বেশি রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৫৯ বল খেলে ৭৭ রানের একটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দলকে উপহার দেন তিনি।


    ইংল্যান্ড দলের হয়ে ৩ টি করে উইকেট সংগ্রহ করেন মার্ক উড এবং জোফরা আর্চার।

    অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৯৪ রানের জবাবে খেলতে নামা ইংল্যান্ড প্রথমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ১৬ ওভার শেষে দলীয় ৫৭ রানেই ৪ জন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান।

    তবে স্যাম বিলিংস এবং জনি বেয়ারস্টো’র জুটির উপর ভর করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। তাদের জুটি ১১৩ রান করতে সমর্থ হয়। কিন্তু দলীয় ১৭০ রানের সময় অ্যাডাম জাম্পার বলে জনি বেয়ারস্টো ব্যক্তিগত ৮৪ রান করে আউট হয়ে যাওয়ায় হতাশায় পড়ে যায় ইংল্যান্ড দল। সেই সাথে ভেঙ্গে যায় বেয়ারস্টো এবং বিলিংস এর জুটি।

    দলের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক আউট হয়ে যেতে থাকলেও একা হাতে ম্যাচের হাল ধরে ছিলেন স্যাম বিলিংস। ১১০ বলে দলীয় সর্বোচ্চ ১১৮ রান করেন তিনি। এটি ছিলো ইংল্যান্ড দলের হয়ে ক্যারিয়ারের ১ম সেঞ্চুরি। কিন্তু এমন পারফরম্যান্সের বিনিময়ে শেষ অবধি দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে পারেননি তিনি। অবশেষে ৫০ তম ওভারে মিচেল মার্শের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যাওয়ায় তার বিধ্বংসী ইনিংসের পরিসমাপ্তি ঘটে।

    অস্ট্রেলিয়া দলের হয়ে ম্যাক্সওয়েল সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেও ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন পেস বোলার জশ হ্যাজেলউড। নির্ধারিত ১০ ওভার বল করে ২৬ রানের বিনিময়ে ৩টি মেডেন এবং ৩ টি উইকেট শিকার করেন তিনি।

    ওয়ানডে সিরিজের ২য় ম্যাচটি আগামী রবিবার এমিরেটস ওল্ড ট্রাফোর্ড স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বিদায় ফুটবল ঈশ্বর!

    ২৫ নভেম্বর ২০২০

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১