• শিরোনাম

    দৈনিক খুলনা

    দি গাংচিল ডেস্ক | ০৭ আগস্ট ২০২০


    দৈনিক খুলনা

    সাতক্ষীরায় করোনায় মৃত্যু এক, নতুন ১২ জন মোট আক্রান্ত ৭৭২ জন

    সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত ওই গৃহবধূর নাম সবিতা সরকার (৪৮)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রামের চাঁদসী ডাক্তার রামপদ সরকারের স্ত্রী। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জ¦র ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে গত মঙ্গলবার বিকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হন গৃহবধু সবিতা সরকার। এরপর বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি আরো জানান, মারা যাওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে তার লাশ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে লকডাউন করা হয়েছে তার বাড়ি। সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৫ জন। আর করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ২২ জন।


    সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ পর্যন্ত এ জেলা থেকে মোট ৪ হাজার ৮৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ৩ হাজার ১২৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌছেছে। এর মধ্যে ৭৭২ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ ও বাকী সব নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া ৫৪২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে।

    এদিকে,গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো তিন পুলিশ সদস্য ও দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট ৭৭২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পিসিআর ল্যাব থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে উক্ত ১২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।


    নগরীতে মাতাজী বীণা পানি দেবীর ৬৭তম শুভ জন্ম জয়ন্তী পালিত

    আমাদের পুজ্য পরম আরাধ্য বিশিষ্ট সেবিকা জটাধারী বেদ আশ্রমের মাতাজী বীণা পানি দেবীর ৬৭তম শুভ জন্ম জয়ন্তী পালিত হয়েছে (“ওম আয়ুম্মান ভব”)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নগরীর বাইতিপাড়ার বেদ আশ্রমের প্রধান অফিসে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ঘরোয়া পরিবেশে দিনটি শৈব্য সম্প্রদায়ের ভাব গাম্ভীর্য সহকারে এ জন্ম জয়ন্তী পালিত হয় ।


    উক্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্রক্ষ নাম ও তার জীবন-যাপন ও মানব সেবা সম্পর্কে আলোচনা করেন একনিষ্ঠা পরম ভক্ত উমা দেবনাথ। প্রভাতে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান, মধ্যহ্নে গুরু মাতার পুজা অন্ন, পরমান্ন প্রসাদ, গীতা চন্ডি পাঠ এবং সরকারের নির্দেশনা মেনে কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসাধারণের সচেতনতামুলক বক্তব্য প্রদান করেন আশ্রমের সেবাইত সমেন দেবনাথ। রাত ৯টায় সন্ধ্যারতিসহ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মুক অভিনয় করেন সোমা দেবনাথ। অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত ও বাঙ্গলীর ঐতিহ্য বহণ করা মিষ্টান্ন পিঠাসহ যাবতীয় উপকরণ প্রস্তুত করেন সৌমিত দেবনাথ। সক্রিয় ভুমিকায় ছিলেন মনিষা, রূপা, বিশ্বজিৎ, আশুতোষ, মিলন, সরজিৎ, সৌম্যজিৎ, সুকুমার, হিরামন।

    বাবরি মসজিদের স্থলে রাম মন্দির স্থাপন করায় আইম্মা পরিষদ মহানগর শাখার নিন্দা বিবৃতি

    বৃহস্পতিবার বাবরি মসজিদের স্থলে রাম মন্দির স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেছেন নরেন্দ্র মোদির সরকার। ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে সেখানে মসজিদ ছিলো এবং মুসলমানরা নামাজ ও ইবাদত পালন করে আসছেন। ভারত সরকার জোর পূর্বক মসজিদের স্থানে মন্দির নির্মাণ করছেন। পৃথিবীর ২০০ কোটির অধিক মুসলমানদের অন্তরে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে, এ মন্দির স্থাপনের মধ্যে দিয়ে এ অঞ্চলের দেশ গুলির সম্প্রতি নষ্ট হবে এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে যা তিনি গুজরাটে ১৯৯২ সালে করেছেন। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন বাবরি মসজিদও একদিন তুরস্কের আয়া সুফিয়ার মত আজান ও নামাজ হবে।

    বিবৃতি দাতারা হলেন মুফতী গোলামুর রহমান, মাওলানা মুমতাজুল করীম, মুফতী হাফিজুর রহমান, মুফতী আব্দুর রহিম, মুফতী মাহবুবুর রহমান, মুফতী আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতী আলী আহমাদ, মুফতী ফখরুল হাসান কাসেমী, মুফতী জাকির হুসাইন, মুফতী আবু সালেহ, মাওলানা ইলিয়াস মাঞ্জুরী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা ফজলুল কাদের, মাওলানা আব্দুল কাদের, মুফতী ইমরান হুসাইন, মুফতী জাকির আশরাফ, মুফতী মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, মুফতী মাসুম বিল্লাহ, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, মুফতী আনোয়ারুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা কবীর হুসাইন, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মুফতী আশরাফুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, মুফতী জাহিদুল ইসলাম।

    মনিরামপুরে র‌্যাবের অভিযানে মেম্বারসহ গ্রেফতার ২

    যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন কুয়াদা বাজারে অভিযান চালিয়ে ১২০০ গ্রাম গাঁজাসহ রামনগর ইউনিয়নের সিরাজসিংগা ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি মেম্বার ও আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ৫ আগস্ট রাতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার দু’মাদক ব্যবসায়ী হলেন যশোর জেলা সদরের সিরাজসিংগা গ্রামের মৃত. আবু বক্কর গাজীর ছেলে মো. কামরুল ইসলাম (৪২) ও একই এলাকার মো. শামসুদ্দিন মোড়লের ছেলে মো. সাকিবুল হাসান (২৮)।

    র‌্যাব-৬ জানায়, ৫ আগস্ট রাতে যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন কুয়াদা বাজারে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বাজারের কেন্দ্রিয় মসজিদের দক্ষিন পাশ থেকে ১২০০ গ্রাম গাঁজা, একটি পালসার মোটরসাইকেল ও নগদ ২১৩০ টাকাসহ কামরুল ইসলাম ও সাকিবুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। তারা পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবত যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবস্যা চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মুক্তিযোদ্ধাদের অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে: এমপি বাবু

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, সমাজ পরিবর্তনে মুক্তিযোদ্ধাদের অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে আপনারা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করে ও ত্রিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। এখনও সেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি। গোটা বাঙ্গালির ও জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তাঁর যোগ্য উত্তরসুরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন বাজি রেখে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করছে। তিনি বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ৭৫’র ১৫ ই আগস্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির পিতার পরিবারকে স্মরণ করে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু নির্বাচনী এলাকায় মেগা প্রকল্প সহ চলমান উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে দেশ গঠনে মুক্তিযোদ্ধাদের এগিয়ে আসার আহব্বান জানান। পাইকগাছা মুক্তিযোদ্ধা কমপেক্স ভবনে সহকারী কমিশনার ( ভুমি ) মোঃ আরাফাতুল আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সুবোল মন্ডল, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, সমাজসেবা অফিসার সরদার আলী আহসান, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আঃ রাজ্জাক মলঙ্গীর পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার সরদার, তোকারাম হোসেন, আমিনুল ইসলাম, আঃ লতিফ, আজিজুর রহমান, ফয়জুল বারি, আমজেদ গাজী, শেখ জামাল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা রায়হান পারভেজ রনিসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।

    মোংলায় ইয়াবা সম্রাটখ্যাত মুকুল ও তিন গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ

    মোংলায় ইয়াবা স¤্রাটখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মুকুলকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের মাদক বিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাত ৮টার দিকে এসআই অমিত কুমার বিশ্বাস ও এএসআই সাধন বিশ্বাস উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি অবস্থায় হাতে নাতে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫২ পিচ ইয়াবা। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মুকুল শিকারী বুড়বুড়িয়া গ্রামের মৃত আ: সামাদ শিকারীর ছেলে। সে দীর্ঘদিন নানা কৌশলে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের রমরমা কারবার চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে।

    মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মোংলা বন্দর ও পৌর শহরসহ উপজেলাব্যাপী মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী মাদক নির্মুলে নিয়মিত অভিযান চলছে। প্রত্যেক মাদক বিক্রেতাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে আটক করার সকল চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার রাতে আটক মুকুল শিকারীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার নানা অভিযোগ রয়েছে। আটক হওয়া মুকুল শেখের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে বুধবার সকালে পৌর শহরের দিগন্ত স্কুল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক’শ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো কবরস্থার রোড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহাগ সরদার (২০), মালগাজী গ্রামের মোঃ হাসিব চৌকিদার (২৪) ও কবরস্থান রোড়ের রাতারাতি কলোনীর বাসিন্দা কবির ফরাজি (৫০)। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

    কপিলমুনিতে রুগ্ন ও খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রি, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

    কপিলমুনিতে রুগ্ন ও খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। তবে হরহামেশায় নয় প্রশাসনের চোখ এড়াতে মাঝে মধ্যে সুযোগ বুঝে এসব মাংস বিক্রি করছে ওই ধুরুন্ধর কসাই।

    গত দেড় মাসের মধ্যে চার বার তিনি রুগ্ন ও খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রি করে ক্রেতাদের ঠকিয়েছেন এমন তথ্য দিয়েছেন একাধিক বিশ্বস্থ্য সূত্র। আর এ কারনে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছেন কপিলমুনিবাসী।

    কপিলমুনির পাশ্ববর্তী হরিদাশ কাটি গ্রামের কসাই সাত্তার ফকির ও তার পার্টনার একই গ্রামের বক্কার গাজী এমন গর্হিত কাজ করেই চলেছেন। সূত্র জানায় ভারতের সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরার কুশখালী, ও কইখালীর কাটাল থেকে (পশু মাংসের হাট) মোটর সাইকেল যোগে বস্তা ভর্তি করে গরুর মাংস আনে এরা। এরপর আঠারো মাইল গরুর মাংসের দোকান থেকে মাথা কিনে হাকডাক ও মাইকিং করে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে থাকে।

    সূত্র জানায়, একদিন আগেই সাতক্ষীরার সীমান্ত ওই এলাকায় যেয়ে থাকে এরা। তারপর ওই এলাকার স্থানীয় কসাইয়ের সাথে চুক্তি করে রাত চার টার দিকে মাংস নিয়ে রওনা হয় এরা। এরপর রাত পোহাবার আগেই কপিলমুনি বাজারে তাদের মাংসের দোকানে এসব মাংস সাজিয়ে রেখে ভোর থেকে বিক্রি শুরু করে। দাম কম বলে খুব তাড়াতাড়ি এদের মাংস বিক্রি হয়ে যায়। সূত্র আরো জানায়, কুশখালী কিম্বা কইখালী থেকে এরা প্রতি কেজি ১৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় ক্রয় করে কপিলমুনিতে তারা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করে যা তদন্ত করলে এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

    জানা যায় ৪ থেকে ৫ মন মাংসের চালান এরা নিয়ে আসে। কপিলমুনিতে সাধারণত গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়। যেহেতু প্রতি কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কম বলে ক্রেতা সাধারনরা এ মাংস কিনতে ভিড় জমায়। গত মাসের শেষের দিকে একটি রুগ্ন এড়ে গরু (গায়ে বসন্ত) জবাইয়ের জন্য বিধি অনুযায়ী কপিলমুনি বায়তুননূর পুলিশ ফাড়ি জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা সুলতান আহম্মেদকে ডেকে আনলে তিনি ওই গরু জবাই করতে অস্বীকৃতি জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় দুজন পুলিশ সেখানে গেলে তাদের সাথে রফা করে গরু জবাই করা হয়। সত্যতা জানতে চাইলে মাওঃ সুলতান বিষয়টা অকপটে স্বীকার করেন। তিনি জানান, স্থানীয় দুটি গরুর মাংসের দোকানের পশু আমার মাধ্যমে নিয়মিত জবাই করা হয়। কিন্তু কসাই সাত্তার আমার কাছে নিয়মিত পশু জবাই করেন না। কেন করেন না জানতে চাইলে তিনি জানান, বেশির ভাগ সময় সাত্তার কসাই বাহির থেকে মাংস আনেন বলে জবাই করা হয় না।

    এ বিষয়ে উপজেলা সেনেটারী কর্মকর্তা উদয় মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সাত্তার কসাইয়ের এসব অনৈতিক কাজের খবর আমিও পেয়েছি। তার উপর কঠোর নজরদারী চলছে অপরাধ পেলেই তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    এদিকে স্থানীয় সুধি মহল বলছেন করোনার এই ভয়াবহতার মধ্যে এ ধরনের মাংস বিক্রি জনস্বাস্থ্য হুমকির মধ্যে পড়বে। এই কসাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে তারা মনে করেন।

    খুলনায় বাসের ধাক্কায় ইজিবাইক চালকের মৃত্যু

    খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মফিজুর (৪৫) নামে এক ইজিবাইক চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সোহেল শেখ (৩০) ও তহমিনা চায়না (২৭) নামের দুইজন আহত হয়েছেন। আহতরা দুইজন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন টুরিস্ট পুলিশ অফিসের সামনে শহীদ সাংবাদিক বেলাল সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খালিশপুর থানাধীন টুরিস্ট পুলিশ অফিসের সামনে একটি ইজিবাইক যাত্রীসহ নতুন রাস্তার দিক থেকে বয়রা বাজারের দিকে যাচ্ছিল। তখন বয়রা বাজার থেকে রাজিব পরিবহনের বাস একটি মোটরসাইকেল বাঁচাতে গিয়ে ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইক চালক মারা যান। আহত দুই যাত্রীকে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় লোকজন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম জানান, এ ঘটনায় অপ্রাপ্তবয়স্ক এক মোটরসাইকেল চালক ও এক আরোহীকে আটক রাখা হয়েছে। বাসের চালককে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

    নগরীর বিএনপির কল সেন্টারে নগদ অর্থ প্রদান

    করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মানবিক চিকিৎসা সেবায় খুলনা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠিত ‘কল সেন্টারে’ নগদ অর্থ প্রদান করেছেন ডা. সারাফত ও ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বদরুল আনাম খানের নাতি শিশু ডিয়ন।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় নগরীর ৫৭, রূপসা স্ট্যান্ড রোডস্থ ‘কল সেন্টারের’ অস্থায়ী কার্যালয়ে ডা. সারাফত এর দেয়া নগদ অর্থ সাংষ্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট সমাজসেবী রোজি রহমানের মাধ্যমে এবং ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বদরুল আনাম খানের ¯েœহের নাতি লিবান আরাফ ডিয়নের জন্মদিনের উদযাপিত গচ্ছিত নগদ অর্থ ছোট শিশু ডিয়ন নিজে নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র হাতে তুলে দেন।

    তিনি বলেন, এ মহামারিতে ছোট শিশু নিজের জন্মদিনের অর্থ মানব সেবায় উৎসর্গ করলেন। এ অনুদান সত্যই আমাদেরকে আরো অনুপ্রানিত করবে। দেশে এক দিকে করো না ভাইরাস অন্য দিকে বন্যা। প্রাকৃতিক সকল দুর্যোগ সুস্থ থেকে মোকাবেলা করতে হবে। বর্তমান দেশের মানুষ অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। এ সকল মানুষের সাহায্যে র জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আ ম আব্দুর রহমান, রেহেনা ঈশা, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, মহিবুজ্জামান কচি, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, বদরুল আনাম খান, সিরাজুল ইসলাম লিটন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল হাসান বাপ্পী, ইমরান হোসেন, কাওসারী জাহান মঞ্জু, ইসমত আরা কাকন প্রমুখ।

    ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদের ইন্তেকাল : নগর বিএনপি’র শোক

    ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন আর রশিদ (৭৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ডায়বেটিকস হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, ৩মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

    মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন নগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ভাষাসৈনিক এম নুরুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মোঃ মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

    খুলনায় আরও ১০১ জনের করোনা শনাক্ত

    খুলনা মেডিক্যাল কলেজের (খুমেক) আরটি-পিসিআর ল্যাবে ২৮১ জনের নমুনা পরীক্ষায় আরও ১০১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৮৮ জনই খুলনা জেলা ও মহানগরীর।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) খুমেকের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, খুমেকের আরটি-পিসিআর মেশিনে আরও ২৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। খুলনার নমুনা ছিল ২০৮টি। মোট ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে ৮৮ জন খুলনার। এছাড়া, খুমেক ল্যাবে বাগেরহাটের ছয়জন, সাতক্ষীরার ১৩, যশোরের দুই, ঝিনাইদহ মাগুরার একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, এ নিয়ে খুলনা জেলা ও মহানগরীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১৪ জনে। মোট মারা গেছেন ৬৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৮৪৪ জন। এখনো হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৪৫৮ জন।

    ফাহিমুল হক কিসলুর সুস্থ্যতা কামনা

    শ্রমিক আন্দোলন সাতক্ষীরার আহবায়ক ফাহিমুল হক কিসলু কয়েক দিন যাবৎ জ্বর, সর্দি, কাশি ও মাথা ব্যাথায় আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর আশু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন শ্রমিক আন্দোলন সাতক্ষীরার যুগ্ম-আহবায়ক আসাদুর রহমান, জুম্মান আলী সরদার, মিলন কুমার, আব্দুস সালাম (বাচ্চু), রবিউল ইসলাম, সদস্য সচিব ফারুকুজ্জামান, যুগ্ম- সদস্য সচিব নির্মল চন্দ্র দাস, আসাদুল ইসলাম, জামাল আহমেদ বাদল, হাফিজুল্লাহ, আবুল হাসান, সদস্য মোজ্জাফ্ফার হোসেন, ফারুক হোসেন, ইমরান হোসেন, এমদাদুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, রবিউল ইসলাম, শামিম হোসেন বাবু, আব্দুল হক, আবুল হোসেন, মোঃ এমদাদ, গৌরাংগ সরকার, আবু সালাম, ইদ্রিসুল ইসলাম পলাশ, নব কুমার, রেজাউল হক, কবিরুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির ও সোহরাব হোসেন সহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ।

    দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা : অতিদ্রুত খেয়াঘাট সড়কটির কাজ শুরু করা হবে

    বারাকপুর খেয়াঘাটের মাঝিদের সাথে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এক মত বিনিমিয় সভা। ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় বারাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের অডিটোরিয়ামে বারাকপুর খেয়াঘাটের মাঝিদের সাথে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মত বিনিময় করেন। এসময় তিনি খেয়াঘাট পারাপারে সকল যাত্রি ও মাঝিদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলেন এবং জনপ্রতি নৌকায় ২ টাকা ও উপরে ১ টাকা ঘাট খাজনার বেশি আদায় করলে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান । ঘাটে কেউ বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি জানান । এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মারুফুল ইসলাম ,দিঘলিয়া থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ আহসান, ওসি তদন্ত মোঃ রিপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী রেজা ব্যাচা , বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ রউফ , বারাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাদিউজ্জামান বিশ্বাস , দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা গাজী ফরহাদ হোসেন, বারাকপুর ঘাট ইজারাদার মোঃ ইয়াজুল শেখ , সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেক প্রমুখ। বারাকপুর খেয়াটের সড়কটি জোয়ার এবং বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় নিয়ে অতিদ্রুত সড়কটির ( ড্রেন ) এর কাজ শুরু করা হবে বলে জানান দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম ।

    ফকিরহাটে করোনা রোগীর বাড়ীতে পৌছে দিচ্ছে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী

    করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা সরুপ বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে পৌছে দিচ্ছেন পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় আট্টাকী, নলধার মোড়লডাঙ্গা ও মূলঘর এলাকায় করোনা আক্রান্তদের বাড়ীতে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানভীর রহমান। এসময় অন্যান্যদেরমধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান কাজি মো: মহসিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাঈদা দিলরুবা সুলতানা, স্ব স্ব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ শহিদুল ইসলাম, মো: রফিকুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন প্রমূখ।

    পাইকগাছায় করোনা জয়ী লস্কর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়নবাসী

    পাইকগাছার লস্কর উইনিয়নের চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান (তুহিন) বিভিন্ন দূর্যোগের ন্যায় করোনা মহামারীর সময়েও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আর্তমানবতার সেবায় নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন । একপর্যায় তিনিও করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনার টুটপাড়ায় নিজস্ব বাসভবনে আইসলোশনে থেকে চিকিৎসা নিতে থাকেন। পরবর্তীতে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় খুলনার বাসা থেকে পাইকগাছা’র উদ্দেশ্যে রওনা হন। ১১টার দিকে তালা-পাইকগাছা সীমান্তের কাছিঘাটা নামক স্থানে পৌছালে, এলাকা থেকে আগত শতশত মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের দিকে রওনা হয়। চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান (তুহিন) ইউনিয়ন পরিষদে পৌছলে ইউনিয়ন পরিষদবর্গ ও লক্ষ্মীখোলা করেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক স্ট্যাফ সহ এলাকার মানুষ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, এসময় তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে করোনা মুক্ত হওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া ও আশির্বাদ করার জন্য এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান। উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্জ মেসবাহুল ইসলাম, ইউপি সদস্য জি, এম তাজ উদ্দীন, প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল, অরবিন্দ কুমার মন্ডল, আছাবুর রহমান সরদার, মিনতী রানী মিস্ত্রী, রমেছা বেগম, ইউপি সচিব মোঃ ফারুক হোসেন সরদার, সাবেক ইউপি সদস্য গাউসুল হক, গ্রাম আদালত সহকারী বাবুল আক্তারসহ ইউনিয়ন বাসি

    শরণখোলায় নির্ঘুম গ্রামবাসী

    নির্ঘুম গ্রামবাসী মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তির খরচ যোগাতে কিশোরচক্র বেপরোয়া, শরণখোলায় প্রতি রাতেই ঘটছে চুরির ঘটনা। সিঁদ কেটে চুরি শরণখোলায় নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপারে পরিনত হয়েছে। রাত পোহালেই উপজেলার ৩৬ ওয়ার্ডের কোথাও না কোথাও আসছে চুরির খবর। চুরির আতংঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে অনেকের। গত তিন মাসে উপজেলায় ছোট বড় শতাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে উপজেলার রাজেশ্বর গ্রামে পাঁচ বাড়িতে সিঁদ কেটে চুরি হয়েছে। এসব ঘটনায় মাদকের করাল গ্রাস ও প্রশাসনিক উদাসীনতা কে দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ।

    ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার একই রাতে রাজেশ্বর গ্রামের হাকিম খান, সৈয়দ হাওলাদার, কালাম হাওলাদার, মিজান জোমাদ্দার ও ওমর জোমাদ্দারের বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ পাঁচ বাড়ী থেকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে জানায় তারা।

    গত তিন মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক বাড়ীতে চুরির ধরণ ও প্রকৃতি অনুসন্ধান করে জানা গেছে, অধিকাংশ চুরির ধরণও একই রকম। প্রত্যেকটি বাড়িতে একই ধরণের সিঁদ কাটা হচ্ছে। প্রত্যেকটি বাড়ী থেকে চোরেরা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে যায়।

    ধারণা করা হচ্ছে সংঙ্গবদ্ধ চক্রের সদস্যরা অবস্থা ও পরিবেশ বুঝে উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে হানা দিচ্ছে। এসব চোরেরা মোবাইল ফোনকেই টার্গেট করছে বেশী। এর সাথে নগদ অর্থ, স্বর্নালংকার লুটছেন।

    উপজেলার ধাণসাগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাঈনুল ইসলাম টিপু জানান, তার ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারে কয়েকটি দোকানে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় প্রতি রাতেই হচ্ছে চুরির ঘটনা। কিন্তু কোন চুরির রহস্য উদঘাটন হচ্ছে না। গ্রেফতার হচ্ছে না কেউ। চুরির আতংঙ্কে গ্রামের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছেনা। এ ব্যাপারে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মিটিংয়ে তিনি বার বার অভিযোগ করলেও কোন ফল হয়নি।

    শরণখোলা প্রেস কাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন বলেন, এসব চুরির সাথে মাদকের করাল গ্রাস ও ইন্টানেট আসক্তির যোগ সুত্র রয়েছে। নেশা ও ইন্টারনেটের টাকা যোগার করতে কিশোর অপরাধীরা এসব চুরি করছে বলে তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এম. সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তির প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহবান জানান তিনি।

    এ ব্যাপারে শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ এস. কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, ইতি মধ্যে কিছু চিহ্নিত চোর গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও অভিযান চলছে। চুরি প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পেট্রলিং নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    ফকিরহাটে বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

    বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রাণ তহবিল হতে সৈয়দ মহল্লা গ্রামে বজ্রপাতে নিহত গফফার মোল্লার পরিবার কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় বজ্রপাতে নিহতের স্ত্রী আফরোজা বেগমের নিকট ২৫হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানভীর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান কাজি মো: মহসিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাঈদা দিলরুবা সুলতানা, স্থানীয় ইউপি সদস্য কাজি তাজ উদ্দিন প্রমূখ। উল্লেখ্য, উজেলার মূলঘর ইউনিয়নের সৈয়দ মহল্লা এলাকায় মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গফফার মোল্লা (৬০) নামে এক দরীদ্র কৃষক মারা যান।

    ফকিরহাটে শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

    বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা অডিটরিয়ামে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে মান সম্মত শিক্ষার মান উন্নয়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানভীর রহমান এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশীষ কুমার নন্দী, অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাশ প্রধান শিক্ষক প্রহলাদ চন্দ্র দেবনাথ প্রমূখ। এসময় মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো: আসাদুজ্জামান, সহকারি প্রাথমিক কর্মকর্তা পিন্টু রঞ্জন দাশ, প্রধান শিক্ষক অসিম কুমার মজুমদার, প্রদ্যুৎ কুমার দাশ, আবু হানিফ শেখ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।

    মহেশপুরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ

    ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা পরিষদ চত্তরে ঢেউটিন ও গৃহনির্মানের মুজুরী বাবদ অর্থের চেক প্রদান করেছেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল।

    সকালে উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ্বতী শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঢেউটিন ও গৃহনির্মানের মুজুরীর অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামিদ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক আজা, হাসিনা খাতুন হেনা,মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন আর রশিদ,নাটিমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মাষ্টার,শেখ মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

    পরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে ঢেউটিন ও গৃহনির্মানের মুজুরীর অর্থের চেক বিতরণ করা হয়।

    লোহাগড়ায় নবগঙ্গা নদী পুনঃ খনন ও ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন

    নড়াইলের লোহাগড়ার নবগঙ্গা নদী পুনঃ খননে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) সকালে কোটাকোল ইউনিয়নের চরকোটাকোল নূরানী হাফেজি ও কওমী মাদ্রাসা মাঠে এলাকাবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    নবগঙ্গা ভূমিহীন অধিকার আন্দোলনের সভাপতি শেখ লায়েক আলী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ টুলু শেখ, সংগঠনের সদস্য আলী রেজা তুহিন, শামীম শাহজাহান জুয়েল, আবুল কালাম বিশ্বাস কালু, লালন শেখ, রাসেল শেখ, ফারুক মুন্সী,নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

    নবগঙ্গা নদী পুনঃ খননে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দেবার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান বক্তারা । তারা আরো জানান, নদী পুনঃ খননের ফলে কলাগাছি, মহাজন, মাইগ্রাম, কোলা, পাঁচুড়িয়া, দিঘলিয়া এলাকার ২৫০ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। নবগঙ্গা নদী পুনঃখনন হলে সাড়ে ৮হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এলাকার মানুষের দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিয়ে নদী খনন করা হোক। এছাড়াও নদীর বর্তমান অবস্থান ঠিক রেখে নদী খননের দাবি করেন এলাকাবাসী।

    উল্লেখ্য, গত বছর ২০ আগষ্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ(একনেক) এর সভায় ৩০৩ কোটি টাকা ব্যায়ে নড়াইল জেলার মধুমতি-নবগঙ্গা উপ-প্রকল্প পূনর্বাসন ও নবগঙ্গা নদী খনন/পূন:খনন প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প পাশ হয়। ওই প্রকল্পের অংশ হিসেবে নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর সীমানা নির্ধারন করে নবগঙ্গা নদীর পুনঃ খনন কাজ শুরু করে।

    লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র জানান, নদী পুনঃ খনন কাজ বন্ধ ও ক্ষতিপূরণ পাবার দাবিতে এলাকার লোকজন উচ্চ আদালতে মামলা করায় আপাতত নদী পুনঃ খনন কাজ বন্ধ রয়েছে। নদী পুনঃ খনন কাজ পুনরায় শুরু হওয়া বা ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

    বাদিকে হুমকির অভিযোগ

    বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে একটি ধর্ষণ মামলার বাদিকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি ও নানাভাবে হুমকির দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরের কুঠিবাড়ি আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা হতদরিদ্র জয়নাল আবেদিন এ অভিযোগ করেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা এক প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে গত ২৬ মে রাতে প্রতিবেশী মোবারেক শেখের ছেলে বাবু শেখ পরিকল্পিতভাবে তুলে নিয়ে তার কক্ষে ধর্ষণ করে। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ বাবুকে গ্রেফতার করে। মামলা নং-৩২, তারিখ-২৮/৫/২০. কিছুদিন জেল হাজতে থাকার পরে জামিনে বাড়ি ফিরে বাবু শেখ মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য বাদিকে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

    প্রভাবশালী আসামিপক্ষ মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য নানাœভাবে পায়তারা করছে বলে বাদির অভিযোগ। এ ঘটনায় হতদরিদ্র পরিবারটি ন্যায় বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    শরণখোলায় ত্রাণের ঘরের মালামাল হস্তান্তর

    বাগেরহাটের শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত ২০টি ত্রাণের বসত ঘরের মালামাল হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল ১১টার দিকে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২০টি পরিবারের মধ্যে বসত ঘরের মালামাল হস্তান্তর করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী যাদের জমি আছে ঘর নাই এমন ৫০টি পরিবারকে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সেমি পাকা ১ রুম বিশিষ্ট বসত ঘর ও একটি পাকা টয়েলেট প্রদান করা হবে। প্রতিটি বসত ঘর ও টয়েলেট বাবদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এখন ২০টি পরিবারকে মালামাল প্রদান করা হলো বাকী ৩০টি ঘরের মালামাল পরে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

    ইন্দুরকানীতে গাছের সাথে শত্রুতা

    পিরোজপুর ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের গাবগাছিয়া গ্রামের একটি পরিবারে ৫টি ফলজ (আমরা) গাছ ফল সহ কেটে ফেলেছে ভাতিজারা অভিযোগ চাচার । ক্ষতিগ্রস্থ গাছের মালিক তোবারেক ফরাজী বলেন, আমার ভাই সুলতান ফরাজী বিদেশ থাকায় জমিজমা আমিই দেখাশুনা করি । আমার বাড়ী সামনে রাস্তায় কয়েকটি ফলজ(আমরা) গাছ গুলি আমিই রোপন করি । যাহা সরকারী রাস্তার পাশে হওয়ায় আমিই গাছের ফল ভোগ করি। জমি সিমানা সংক্রান্ত জের ধরে আমার আপন ভাই সুলতান মাহমুদের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শুভরো,আরিফ মাহমুদ ও তাদের বাড়ী কাজের লোক মনিরের নেতৃত্বে তার দলবল নিয়ে বুধবার ফলজ গাছগুলো আমাকে না জানিয়ে কেটে ফেলে।

    ভাতিজা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শুভরো ফরাজী বলেন, চাচা তোবারেক ফরাজী আমাদের জমিজমা ও গাছপালা গুলো দীর্ঘদিন যাবত দেখাশুনা করত । এখন ওই জমি পরিমাপ করে আমরা জমি পাওয়ায় গাছগুলো কেটে ফেলেছি। ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি । অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

    তেরখাদায় নালিশী সম্পত্তিতে জবরদখল স্থাপনা নির্মানে অভিযোগ

    তেরখাদার আটলিয়া বাজারে আদালতে বিচারাধীন নালিশী সম্পত্তিতে জর জবরানে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জৈনক ফারুক হুসাইন পিতা- মৃত হায়দার শেখ, সাং- আটলিয়া থানা- তেরখাদা এর স্বাক্ষরিত ও তেরখাদা থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর গত ২০/০৭/২০২০ ইং তারিখে দাখিলকৃত অভিযোগ হইতে জানা যায় বিবাদী বাদশা শেখ, ইমরান শিকদার, মোতালেব শিকদার, আবু তালেব শিকদার, হাবিবুল্লাহ শিকদার, সফিউল্লাহ শিকদার সর্বসাং-পারখালী থানা তেরখাদা গং এর সহিত অভিযোগকারীর ভোগদখলীয় সম্পত্তি লইয়া বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান আছে, যাহার এমপি নং-৩০২/১৯ (তেরখাদা)। আদালত হইতে উভয় পক্ষকে মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত তপশীল বর্নিত নালিশ সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মান কাজ হইতে বিরত থাকার নিষেধাগ্যা প্রদান করিয়াছে। বিবাদী গণ আদালতের নিষেধাগ্যা অমান্য করিয়া ঘর নির্মান কাজ শুরু করে এতে বাদী পক্ষ বাধা দিলে তাদেরকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সহ জীবনাশের হুমকি প্রদান করে। এতে ভীত সন্ত্রস্থ অভিযোগকারী লিখিত অভিযোগ সহ তেরখাদা থানার শরনাপন্ন হইলে তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিবাদীদের অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। পুলিশী নির্দেশের পরে বিবাদীগন অভিযোগকারী বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ পুনরায় নির্মান কাজ শুরু করার হুমকি প্রদান করিতেছে। এবিষয় অভিযোগকারী র‌্যাব ৬ সহ উর্দ্ধতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

    কেডিএস সেক্রেটারীর ভাইয়ের মৃত্যুতে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের শোক

    টুটপাড়া সরকারপাড়া নিবাসী খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী শামীম আহসান এর সেঝো ভাই কাজি তৌহিদুজ্জামান টোলা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি —–রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ ও সাধারন সম্পাদক এডঃ সুজিত অধিকারী।

    মণিরামপুরে নতুন ১২ জনের করোনা সনাক্ত

    যশোরের মণিরামপুরে নতুন ১২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ব্যাংকার, নার্স, স্বাস্থ্যসহকারী ও মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ রয়েছেন। এই নিয়ে মণিরামপুরে করোনা সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে।

    মণিরামপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপকুমার বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নতুন আক্রান্ত ১২ জন হলেন, যশোর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ রায়ের বোন কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা রীতা রানী (৫৫), তার স্বামী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ সীল (৬২), কেশবপুর সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা মণিরামপুরের হরিনা গ্রামের বাসিন্দা সুমন রায় (২৯), খুলনায় কর্মরত ওরিয়ন ফার্মার মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ মণিরামপুরের মুজগুন্নি গ্রামের বাসিন্দা হাসান আলী (২৬), চালুয়াহাটি ইউপির রতনদীয়া গ্রামের স্বাস্থ্যসহকারী আব্দুর রাজ্জাক (৩৮), খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স মণিরামপুরের তাহেরপুর এলাকার বাসিন্দা হ্যাপি রায় (৪৫), মোহনপুর এলাকার রোজিয়া সুলতানা (৩৮), মণিরামপুর পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিমাংসু বিশ্বাস (৫৫) ও রেখা সাহা (৬৫), খেদাপাড়া গ্রামের চন্দন ব্যানার্জি (৩২) ও রিনা ব্যানার্জি (৫০) এবং কেশবপুর পৌরশহরের বাসিন্দা তপন পাল (৫৬)। তপন পাল কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা হলেও তিনি মণিরামপুর হাসপাতালে নমুনা দিয়েছিলেন। ডা. অনুপ বলেন, গত সোমবার (৩ আগষ্ট) মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। আজ (৬ আগষ্ট) তাদের মধ্যে ১০ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এছাড়া একই দিনে কেশবপুর হাসপাতালে মণিরামপুরের সুমন রায় ও হাসান আলী নমুনা দেন। আজ তাদেরও পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

    ‘মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে এই পর্যন্ত ৫৫৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া এই অঞ্চলের অনেকে কেশবপুর হাসপাতাল,যশোর সদর হাসপাতাল এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নমুনা দিয়েছেন। তাদেরমধ্যে মণিরামপুরে মোট ১০৩ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে ৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন’, বলেন ডা. অনুপ।

    খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আমাদের কৃষি জমিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার

    খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেছেন, কোভিড-১৯-এর ভয়াবহ হতে বৃদ্ধির আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শিতার কারণে ক্ষতির পরিমাণ খুবই কম হচ্ছে। বিদেশের কথা উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তারা রোগ সনাক্ত করতে পেরেছে কিন্তু বাঁচাতে পারেননি। কিন্তু বাংলাদেশ স্বল্প টেষ্টের মধ্য দিয়েও আমাদের মৃত্যুর হার ১.৩। স্বাভাবিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে অস্বাভাবিককে আমরা জয় করে চলেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের মেহেরবানী করেছে বলে আমরা ভাল আছি। আমাদেরকে কোভিড-এর সাথে বসবাস করতে হবে, চলতে হবে। তিনি আরো বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আমাদের কৃষি জমিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মাথাপিছু জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কৃষি জমিকে সংরক্ষণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাতুল আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার, ওসি এজাজ শফী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু। বক্তব্য রাখেন, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক শাহিন বিন জামান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ বিশ্বাস, খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম সিদ্দিকী ফিরোজ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দীন, বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়। এর আগে বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি সরকারি অর্থায়নে নির্মাণাধীন হিতামপুর জামে মসজিদ পরিদর্শন করেন ও মসজিদ নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিস্পত্তি করেন। পরে তিনি পুরাইকাটির কমিউনিটি কিনিক পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১