• শিরোনাম

    বর্ষার পরে ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু করবে সরকার

    দি গাংচিল ডেস্ক | ২৫ আগস্ট ২০২০


    বর্ষার পরে ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু করবে সরকার

    বর্ষার পরে কক্সবাজারের বিধ্বস্ত শিবিরে অস্বস্তিতে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্থানান্তর শুরু করার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

    পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, “আমরা প্রথমে পরিদর্শন ওপর্যবেক্ষন কর্মসূচী পরিচালনা করব। আমরা বর্ষার পর রোহিঙ্গাদের প্রাথমিক স্থানান্তর শুরু করার প্রত্যাশা করছি।”


    যদি কক্সবাজারের ছিন্নমূল শিবিরের চেয়ে জায়গাটি আরও ভাল দেখতে পান তবে পররাষ্ট্রসচিব বলেছিলেন যে তারা বর্ষার পরে সেখানে রোহিঙ্গাদের প্রাথমিক স্থানান্তর শুরু করবেন বলে আশা করছেন।

    তিনি বলেন, জাতিসংঘের দলগুলি ভাসান চর পরিদর্শন করবে এবং ইউএন সিস্টেমের সহায়তার প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    মাসুদ বিন মোমেন বলেছিলেন যে বাংলাদেশ সর্বাধিক ১,০০,০০০ লোকের থাকার জন্য ভাসান চর দ্বীপের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কয়েক মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

    মাসুদ বলেন, দ্বীপে ১২০ টি ক্লাস্টার এর ব্যাবস্থা রয়েছে। প্রতিটি ক্লাস্টারের ১২ টি বাড়িতে ৭৬৪ জন লোক থাকতে পারে। মোট ১,৪৪০ টি বাড়ি এবং ১২০ টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। “আমরা দ্বীপটিকে বসবাসের উপযুক্ত করে প্রস্তুত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।”


    ব্যবস্থাটি তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার জটিল স্বাস্থ্য পরিস্থিতির জন্য রেফারাল ব্যবস্থা সহ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য, স্যানিটারি সুবিধা এবং টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এটি অস্থায়ী কাজ এবং জীবিকার ব্যাবস্থাও করেছে (লবণ সহনকারী ধান, উদ্যান, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও পশুপালন)।দ্বীপে প্রাথমিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রথাগত-শিক্ষার ব্যবস্থাও করেছে যা মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রসারিত হতে পারে। বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশের সুবিধা যথাযথ সময়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

    পররাষ্ট্রসচিব বলেছিলেন যে,”শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দ্বীপের স্থায়িত্ব এবং নির্মিত কাঠামোগত মানের প্রমাণ করেছে। ভাসান চরে কক্সবাজার থেকে জনসংখ্যা প্রতিস্থাপিত হলে কক্সবাজারের উপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমে যাবে” তিনি আরোও বলেন বলেন,” ভাসান চর পূনর্বাসন প্রকল্প তৃতীয় দেশ পুনর্বাসনের (টিসিআর) একটি স্বাগত চিন্তাভাবনা।”

    আরও কয়েকটি দেশের উৎসাহে মায়ানমারের সাথে সমঝতার গিয়েরোহিঙ্গা জনগোষ্টিকে রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবার্সনের বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলেও তা সফল হয়নি।সচিব মহোদয় বলেন যে তিনি আশা করেন মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে এগিইয়ে আসবে।

    তিনি আরো বলেন,“আমরা আগ্রহী অংশীদাররা মায়ানমার সরকারের সাথে কথা বলব এবং উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করতে আশা করব। এখনও অবধি রাখাইনের অভ্যন্তরে বাকী রোহিঙ্গাদের জন্য আমরা তেমন কোনও প্রচেষ্টা আবিষ্কার করি না”।

    মালয়েশিয়ার প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ হামিদ আলবার, ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব এবং এনএসইউয়ের সিনিয়র ফেলো মোঃ শহিদুল হক, কানাডার হাই কমিশনার বানোয়েট প্রফন্টেইন, অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম এবং এনএসইউর ডাঃ ইশরাত জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ওয়েব সেমিনারে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১