• শিরোনাম

    ৫ জানুয়ারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিন চৌধুরীর ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী

    দি গাংচিল ডেস্ক | ০৫ জানুয়ারি ২০২২


    ৫ জানুয়ারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিন চৌধুরীর ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী

    মমিন চৌধুরী

    প্রয়াত আবদুল মমিন চৌধুরী রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার চৌধুরীপাড়া গ্রামে ১৯৩৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৯৮৭ সালের ৫ জানুয়ারী মৃত্যুবরন করেন। তিনি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

    প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মমিন চৌধুরী বদরগঞ্জের প্রগতিশীল অসা¤প্রদায়িক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকান্ডের নিউক্লিয়াস হিসেবে সর্বদা কাজ করতেন।


    নেতৃত্ব গ্রহনের সুযোগ থাকলেও তাঁর মধ্যে নেতৃত্বের আকাঙ্খা কখনও ছিল না। তাঁর মাঝে নেতা হওয়া নয়, নেতা তৈরীর মানসিকতা সবসময় পরিলক্ষিত হতো। বর্তমান রাজনীতিতে যা সম্পূর্ণভাবে অবর্তমান। কিন্তু আজ আমরা প্রতিদিনের যাপিত জীবনে সংকীর্ণতাটাই অনেক বেশী দেখতে পাই। তাঁর অবদান খাটো করে বেমানান কিছু কথা বলাটা মোটেও রাজনীতি নয়।

    এসকল অসুন্দর এবং অপরাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ। গণমানুষের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে সমাজ উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা চোখে পড়ার মতো ছিল। তিনি গণমানুষের হৃদয়ের নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।


    তাই আজ অবধি তিনি বদরগঞ্জের মানুষের হৃদয়ে চিরস্বরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল ঈর্ষনীয় ও প্রশংসনীয়। যে কারণে বদরগঞ্জের মানুষের প্রাণের আকুতি হিসেবে বদরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “মরহুম আব্দুল মমিন চৌধুরী গ্রন্থাগার”।

    জেলা প্রশাসক রংপুরের ৯/৬/২০১৩ তারিখের স্বারক নং ৩৫৭৩ ও বদরগঞ্জ পৌরসভার ২৫/৪/২০১৩ তারিখের স্বারক নং ৯৬ সূত্রোক্ত পত্রদ্বয়ের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বদরগঞ্জ পৌরসভার প্রস্তাবিত পৌর অডিটোরিয়ামের নাম ‘মরহুম মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবদুল মমিন চৌধুরী’র নামে নামকরণের প্রস্তার অনুমোদন করেন।


    যার স্বারক নং পৌর-২/৪৬.০০.০০০০.০৬৪.০৩২.০৪০-২০১৩/৯৮৮; তারিখ ১৩/৬/২০১৩ খ্রিঃ। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, সংস্কৃতিমনা, সাহিত্যপ্রেমী, সমাজতাত্বিক, শিক্ষাব্রতি, বহু ব্যাপৃত চিন্তাবিদ। কখনও কারও হুমকী ধামকীতে না দমে হিমালয়ের মতো উচু কঠিন সংকল্প দৃঢ়তায় সকল বাধা অতিক্রম করে সাফল্যের সোপানে ইটের উপর ইট রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দর্শনের ভিত তিনি গেঁথেছিলেন।

    তিনি বদরগঞ্জের মাটিতে রাজনৈতিক বিপ্লব রচনা করেছিলেন। তৈরী হয়েছিলো একটি সৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দর্শন। প্রগতিশীল অসা¤প্রদায়িক চেতনা তাঁর সকল ভাবনা ও চিন্তার নিয়ামক শক্তি ছিল। কিন্তু তিনি অল্প বয়সেই ইন্তেকাল করেন। বিশেষ করে বদরগঞ্জের গণমানুষের কাছে আজকের দিনটি অত্যন্ত শোকাবহ।

    বর্তমান রাজনীতিতে তাঁর মতো নির্লোভ মানুষের আগমন দেখা যায় না। তিনি ছিলেন বদরগঞ্জের গণমানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির পুরোধা। বদরগঞ্জের প্রগতিশীল রাজনীতিতে তাঁর যে অবদান নতুন প্রজন্মের তা জানা প্রয়োজন। তিনি একজন প্রচার বিমূখ মানুষ ছিলেন।

    প্রচারনা থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও তাঁর সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডই তাঁকে নিয়ে গিয়েছিলো গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের মানুষের হৃদয় থেকে হৃদয়ে। অধ্যাপক মেছের উদ্দিন, সাবেক অধ্যক্ষ, বদরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাক্ষী মানবতা বিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল বলেন – প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ৭১’এ বদরগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।

    মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৬ মার্চের পর থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত বদরগঞ্জের সম্মূখ যুদ্ধে তিনি অংশগ্রহন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতের গঙ্গারামপুর যেখানে যুবকদের নাম ঠিকানা লিখে ট্রেণিং ক্যাম্পে পাঠানো হয় সেখানে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তিনি বদরগঞ্জের বড়মিলে (নিজ মালিকানাধীন) মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প তৈরী করেছিলেন।

    সেখানে তৎকালীন ক্যাপ্টেন আনোয়ার ও সুবেদার শহিদুল ইসলামও অবস্থান করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দীর্ঘ নয়মাস তিনি বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বদরগঞ্জের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি এক বিশাল অধ্যায়। তাঁর জীবন কাহিনী সকল মানুষের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। তাঁর অনুকরণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাহীন সাহস, স্বাদেশিকতা, অনমনীয় মানসিকতা অন্যতম। সাধারণ মানুষের দেখার সাথে তাঁর দেখার পার্থক্য ছিল না। তিনি গণমানুষের মনের কথা বুঝতেন।

    তিনি ছিলেন বদরগঞ্জের মানুষের ঐক্যের প্রতীক, অগ্রগতির প্রতীক ও সাম্যেও প্রতীক। প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী বদরগঞ্জের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যয় রচনা করেছিলেন। নিজের প্রতিভায় তিনি একটি কালকে পরাস্ত করেছিলেন। তাঁর এই অল্প বয়সে চলে যাওয়ার শুন্যতার বেদনা আমাদের বিপ্লবী চেতনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছেন।

    তাঁর সেই সাহসী দেহ সোনালী রোদে আর ছাঁয়া ফেলবে না। ভাবতেও কষ্ট হয়। আবু তাহের মন্ডল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বদরগঞ্জ উপজেলা শাখা আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বলেন – বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম নিপেক্ষতার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে তিনি রাজনীতি করেছেন। আমি তাঁকে একজন বড়মনের মানুষ হিসেবে দেখেছি। তিনি গরীব মানুষদের ভালবাসতেন এবং বিপদে আপদে সাহায্য করতেন যা আমি কাছে থেকে দেখেছি।

    যেকোন মানুষ বিপদে আপদে তাঁর কাছে গেলে শান্ত্বনা দিতেন এবং তিনি তাকে বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য যা যা করার সব করতেন। তিনি ইচ্ছে করলে জনপ্রতিনিধি কিংবা বড় নেতা হতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা চাননি। তাঁর কথা স্থানীয় প্রশাসন এবং গন্যমান্য সকলেই মান্য করতেন কারণ তাঁর শক্তির মূল ভিত্তিই ছিল জনগণ। অনেকেই বলে থাকেন তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় বদরগঞ্জ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকান্ডের সকল চাপ তার পুরোটাই নিজ কাঁধে বহন করতেন।

    আমি চাই উনার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য কিছু একটা করা হোক যেমন ঃ কোন সড়কের নামকরণ বা অন্যকিছু। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্বরণ করবে। দলীয় নেতাকর্মীদের তিনি সবসময় খোঁজখবর নিতেন। আমি তাঁর উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় মাত্র ৩১ বৎসর বয়সে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন করি।

    আজকের এই দিনটিকে স্বরণ করতে গিয়ে মোঃ আনোয়ারুল হক, সাধারন সম্পাদক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, জাসদ, বদরগঞ্জ উপজেলা শাখা বলেন, প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী রংপুর জেলাধীন বদরগঞ্জ উপজেলার লালবাড়ী চৌধুরী পাড়ার ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। অন্তহীন সংগ্রাম আশা-ভরসায় পরিপূর্ণ তাঁর রাজনীতিতে নৈরাশ্যের অবস্থান ছিল না কখনই।

    প্রগতিশীল রাজনীতি নির্মাণের প্রজ্জ্বলিত শিখা ছিলেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মমিন চৌধুরী। বদরগঞ্জের মানুষের হৃদয়ে তিনি আলো ছড়াবেন অনন্তকাল। তিনি বদরগঞ্জের মানুষের চেতনার বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার সহিত জড়িত থেকে শিক্ষাকে নানাভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগার ছিলেন।

    তিনি আওয়ামী লীগের নেপথ্যে থেকে সারাজীবন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সর্বোপরি প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন।

    এই বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকে ধরে রাখতে তাঁর নামে এলাকায় কোন কিছুর নামকরণ করা হোক। মোঃ ময়েন উদ্দিন শাহ্, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, রংপুর জেলা কমিটি, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষনা পরিষদ ও শিক্ষক, বদরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ বলেন – প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্র নেতাদের পাশে থেকে ছাত্র আন্দোলনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি দলকে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করতেন।

    ছাত্র সংগঠনগুলো আন্দোলন করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের প্রশাসন যে হয়রানীমূলক কর্মকান্ড পরিচালিত করতেন তার প্রতিবাদ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেন এবং ছাত্রনেতাদের মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে সহযোগিতা করতেন। তিনি অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন। সন্ত্রাসমুক্ত ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা সবারই জানা। সৃজনশীল ভাবনা ও পরিকল্পনার জন্য বদরগঞ্জের মানুষের কাছে তিনি আজও স্মরণীয়।

    মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল দলের নেতা কর্মীদের সংগঠিত করে প্রগতিশীল অসা¤প্রদায়িক গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রদান করেন। সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা চোখে পড়ার মতো ছিল। উনি একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন এবং বদরগঞ্জকে নিয়ে সবসময় চিন্তা ভাবনা করতেন।

    বদরগঞ্জের উন্নয়ণের জন্য উনি সার্বক্ষণিকভাবে চিন্তা করতেন কিন্তু তাঁর অকাল মৃত্যুর পর রাজনৈতিক সংগঠণ কর্তৃক যে মূল্যায়ন বা স্মরণ করার কথা ছিল তা হয়নি বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

    যদিও বদরগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে তথা তৃণমূলের সাধারণ জনগণ নিজ উদ্যোগে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহ্ফিলসহ বিভিন্ন কর্মসুচী পালন করেছিলেন। এই বীরমুক্তিযোদ্ধাকে স্মরণ করার জন্য তাঁর নামে কোন স্থাপনা বা সড়কের নামকরণ করলে খুবই ভাল হয়। এটা আমার প্রস্তাব। বদরগঞ্জের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অতি আপন। একজন সাহসী মানুষ হিসেবে অতি প্রিয় মূখ। ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের কথা সবারই জানা।

    তিনি নারী শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর উলে­খযোগ্য উদাহরণ বদরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানটি তাঁর নামে নামকরণ করে জাতীয়করণ করার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। মোঃ হেলাল হোসেন, প্রধান শিক্ষক, বদরগঞ্জ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বলেন, প্রয়াত মমিন চৌধুরী প্রগতির পথের পথিক ছিলেন।

    তিনি যে পরিবারে জন্মগ্রহন করেছিলেন তাতে তিনি ভোগের মধ্যে জীবন-যাপন করতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেননি।

    তিনি গণমানুষের জন্য কিছু করতে চেয়েছেন। তাঁর জীবনের সুর বাঁধা হয়েছিল ভিন্নরকম তার দিয়ে। যে তারে বেঁজে উঠেছিল বিপ্লবের ঝংকার। তাঁর সামাজিক কর্মকান্ডে পরিচ্ছন্ন চিন্তাশীল একটি মনের প্রতিফলন ঘটেছিল। তিনি সবসময় জীবনকে একটি নির্মোহ দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করেছেন।

    ষাটের দশকের পূর্বাহ্নে যখন বদরগঞ্জের নারী সমাজ শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত ঠিক তখনই বদরগঞ্জের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মমিন চৌধুরী নারী শিক্ষার প্রযোজনীয়তা উপলব্ধি করেন এবং তিনি তৎকালীন সময়ের স্থানীয় গন্যমান্য ও শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিবর্গসহ এই এলাকার বঞ্চিত নারীদের শিক্ষা প্রসারের জন্য বদরগঞ্জ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহন করেন।

    ষাটের দশকের মধ্যাহ্নে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৬৫ সালে স্বল্প সংখ্যক ছাত্রী নিয়ে বদরগঞ্জ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। উলে­খ থাকে যে, প্রয়াত আব্দুল মমিন চৌধুরী বিশিষ্ট লেখক, কলামিষ্ট, দৈনিক নব সূচনার নির্বাহী সম্পাদক ও ভূতত্ববিদ মোঃ সরওয়ার হক চৌধুরী (জুন) ও রংপুর ২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী (ডিউক)’র পিতা।

    ৫ জানুয়ারী মরহুম আব্দুল মমিন চৌধুরীর মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে তাঁর মাগফেরাত কামনা করে বদরগঞ্জের এতিমখানায় পবিত্র কোরআন তিলওয়াত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১